Our Story
বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে 'শেয়ারবাগান' বা যৌথ উদ্যোগে বাগান ব্যবস্থাপনা কেবল একটি চমৎকার ধারণাই নয়, বরং এটি আমাদের অর্থনীতি এবং পরিবেশের জন্য একটি সময়োপযোগী ও বৈপ্লবিক পদক্ষেপ। আমাদের সীমিত জমি এবং ক্রমবর্ধমান নগরায়নের যুগে এটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময়।
সীমিত জায়গার সর্বোচ্চ ব্যবহার
বাংলাদেশে মাথাপিছু জমির পরিমাণ কম এবং অনেকেই শহরে ফ্ল্যাটে বা ছোট বাড়িতে থাকেন যেখানে একা বাগান করা সম্ভব হয় না। শেয়ারবাগানের মাধ্যমে কয়েকজন মিলে কোনো ছাদ, পতিত জমি বা লিজ নেওয়া জায়গায় যৌথভাবে বাগান করতে পারেন। ফলে জায়গার অপচয় রোধ হয়।

খরচ ও শ্রমের বণ্টন
একটি আধুনিক বাগান গড়তে যে প্রাথমিক খরচ (যেমন: উন্নত জাতের চারা, জৈব সার, ড্রিপ ইরিগেশন বা আধুনিক সেচ ব্যবস্থা) এবং নিয়মিত শ্রমের প্রয়োজন হয়, তা একা বহন করা অনেকের জন্যই কঠিন। শেয়ারিংয়ের ফলে খরচ এবং পরিশ্রম সবার মধ্যে ভাগ হয়ে যায়, ফলে বাগান করাটা সহজ ও আনন্দদায়ক হয়ে ওঠে।







