Skip to main content

Our Story

বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে 'শেয়ারবাগান' বা যৌথ উদ্যোগে বাগান ব্যবস্থাপনা কেবল একটি চমৎকার ধারণাই নয়, বরং এটি আমাদের অর্থনীতি এবং পরিবেশের জন্য একটি সময়োপযোগী ও বৈপ্লবিক পদক্ষেপ। আমাদের সীমিত জমি এবং ক্রমবর্ধমান নগরায়নের যুগে এটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময়।

সীমিত জায়গার সর্বোচ্চ ব্যবহার

বাংলাদেশে মাথাপিছু জমির পরিমাণ কম এবং অনেকেই শহরে ফ্ল্যাটে বা ছোট বাড়িতে থাকেন যেখানে একা বাগান করা সম্ভব হয় না। শেয়ারবাগানের মাধ্যমে কয়েকজন মিলে কোনো ছাদ, পতিত জমি বা লিজ নেওয়া জায়গায় যৌথভাবে বাগান করতে পারেন। ফলে জায়গার অপচয় রোধ হয়।

খরচ ও শ্রমের বণ্টন

একটি আধুনিক বাগান গড়তে যে প্রাথমিক খরচ (যেমন: উন্নত জাতের চারা, জৈব সার, ড্রিপ ইরিগেশন বা আধুনিক সেচ ব্যবস্থা) এবং নিয়মিত শ্রমের প্রয়োজন হয়, তা একা বহন করা অনেকের জন্যই কঠিন। শেয়ারিংয়ের ফলে খরচ এবং পরিশ্রম সবার মধ্যে ভাগ হয়ে যায়, ফলে বাগান করাটা সহজ ও আনন্দদায়ক হয়ে ওঠে।

Our Team

যান্ত্রিক জীবনে মানুষ যখন একা হয়ে যাচ্ছে, তখন শেয়ারবাগান মানুষকে কাছাকাছি আনার একটি দারুণ সামাজিক মাধ্যম (Social Hub) হতে পারে। ছুটির দিনে সবাই মিলে বাগানের যত্ন নেওয়া, আড্ডা দেওয়া এবং ফসল কাটার আনন্দ শেয়ার করার মাধ্যমে প্রতিবেশীদের মধ্যে বন্ধন দৃঢ় হয় এবং মানসিক অবসাদ দূর হয়।

 

Md Shoaib

Sustainable Advisor

Our Sustainable Advisor specializes in sustainable eco garden, guiding clients toward eco-friendly and successful practices.

 

Md Sakhawet

Business Advisor

Our Business Advisor extracts insights from data, helping clients make informed decisions and optimize strategies.

 

Md Mahabub

Business Advisor

Business Advisor crafts innovative plans and strategy to drive growth and profitability for clients in national ground.

Our Strengths

শেয়ারবাগান হলো আধুনিক বাংলাদেশের সবুজ বিপ্লবের এমন একটি মডেল, যা একাধারে প্রকৃতির যত্ন নেয়, পকেট বাঁচায় এবং সমাজে মেলবন্ধন তৈরি করে। এটি টেকসই উন্নয়নের (Sustainable Development) একটি বাস্তবমুখী উদাহরণ।

Sustainable Energy Strategy

Strategic Business Planning

Market Research and Analysis

Sustainability Integration

Latest Case Studies

These are just a few examples of our successful collaborations with forward-thinking businesses. Each project represents a commitment to excellence and a dedication to sustainable growth.

01

লিচু বাগান প্রকল্প | দিনাজপুর

নিজেদের উৎপাদিত ফসল দিয়ে পরিবারের পুষ্টি ও খাদ্যের চাহিদা মেটানো সম্ভব, যা বাজারের খরচ অনেকটাই কমিয়ে দেয়। এছাড়া, উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি হলে তা বাজারে বিক্রি করে বা প্রতিবেশীদের কাছে সরবরাহ করে একটি বাড়তি আয়ের উৎসও তৈরি করা সম্ভব।


✔ ১ শতাংশ জমি
✔ মূল্য ২ লক্ষ টাকা
✔ সম্পূর্ণ রেজিস্ট্রি
✔ হস্তান্তরযোগ্য মালিকানা

Project manager: Md sakhawet 

Project duration: 24 months

02

আম বাগান প্রকল্প রাজশাহী 

রাজশাহীর আমের স্বাদ ও গুণগত মান বিশ্বমানের।


 এককভাবে একটি বড় আম বাগান করা অনেকের জন্যই বেশ ব্যয়বহুল এবং ঝুঁকিপূর্ণ। শেয়ারবাগান মডেলের ফলে একাধিক অংশীদার মিলে পুঁজি বিনিয়োগ করতে পারেন। এতে যেমন আর্থিক চাপ কমে, তেমনি কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা ফসলের ক্ষতি হলে লোকসানের ঝুঁকিটাও সবার মধ্যে ভাগ হয়ে যায়।


  • বর্তমান প্রকল্পগুলোতে ফ্রুট ব্যাগিং (Fruit Bagging) প্রযুক্তির ব্যবহার ব্যাপক বেড়েছে। এর ফলে ক্ষতিকারক কীটনাশক ও রাসায়নিক ছাড়াই সম্পূর্ণ প্রাকৃতিকভাবে শতভাগ নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও বিষমুক্ত আম উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক।

  • ঐতিহ্যবাহী চাষ পদ্ধতির বাইরে গিয়ে এখন আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক উপায়ে আম চাষ হচ্ছে। 'আল্ট্রা হাই ডেনসিটি' বা উচ্চ ঘনত্বের আম বাগান প্রকল্পগুলোর কারণে অল্প জমিতে আগের চেয়ে অনেক বেশি ফলন পাওয়া যাচ্ছে।


  • Project manager: Md Ruhul Amin

    Project duration: 24 months

    03

    লিচু চাষের জন্য দিনাজপুর কেবল উপযোগীই নয়, বরং এটিকে বাংলাদেশের "লিচুর রাজধানী" বলা হয়। এখানকার মাটি, আবহাওয়া এবং ভৌগোলিক অবস্থান লিচু চাষের জন্য একদম আদর্শ।

    লিচুর ভালো ফলনের জন্য ফুল আসার আগে কিছুটা ঠান্ডা এবং ফল পাকার সময় শুষ্ক ও কড়া রোদের প্রয়োজন হয়। দিনাজপুরের জলবায়ুতে এই বৈশিষ্ট্যটি প্রাকৃতিকভাবেই বিদ্যমান।

    চায়না-৩ ও চায়না-৪: আকারে বেশ বড়, রসালো এবং অত্যন্ত মিষ্টি। প্রতি বছর মে ও জুন মাসে দিনাজপুরের 'গোর-এ-শহীদ বড় ময়দান' বা কালিতলা বাজারে কোটি কোটি টাকার লিচু কেনাবেচা হয়, যা পুরো দেশের চাহিদা মেটায়।

    Project manager: Shamim Ashraf 

    04

    কেন করবেন ?

    শেয়ার বাগান (বা যৌথ উদ্যোগে বাগান করা) বর্তমান সময়ে বেশ জনপ্রিয় একটি ধারণা। নিজের একক কোনো জমি বা বড় জায়গা না থাকলেও, অন্যের সাথে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে বাগান করার এই পদ্ধতিটিকে শেয়ার বাগান বলা হয়। এটি হতে পারে কোনো বাণিজ্যিক ফল/সবজির বাগান কিংবা শখের বসে বন্ধুদের সাথে মিলে ছাদবাগান।

    শেয়ার বাগান কেন করবেন, তার প্রধান কারণগুলো নিচে আলোচনা করা হলো:


    খরচ ও বিনিয়োগের ভাগাভাগি

    একটি নতুন বাগান তৈরি করতে মাটির প্রস্তুতি, চারা কেনা, সার, কীটনাশক এবং সেচ ব্যবস্থার জন্য বেশ ভালো অংকের খরচের প্রয়োজন হয়। শেয়ারে বাগান করলে এই প্রাথমিক খরচ এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের খরচ ৫০% সবার মধ্যে ভাগ হয়ে যায়। ফলে একক ব্যক্তির ওপর আর্থিক চাপ পড়ে না।

    "একা যা কঠিন, দশ মিলে তা সহজ।"

    কৃষি বা বাগানের কাজে সবসময়ই কিছু ঝুঁকি থাকে—যেমন রোগবালাইয়ের আক্রমণ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা কোনো কারণে ফলন খারাপ হওয়া। শেয়ার বাগান করলে এই আর্থিক বা মানসিক ক্ষতির ঝুঁকি একা কাউকে বইতে হয় না, সবার মধ্যে বন্টন হয়ে যায়।

    দিনাজপুর যেমন লিচুর জন্য বিখ্যাত, তেমনি পর্যটকদের জন্যও এটি বাংলাদেশের অন্যতম আকর্ষণীয় একটি জেলা। ঐতিহ্য, ইতিহাস আর প্রকৃতির এক অপূর্ব সংমিশ্রণ রয়েছে এখানে। আপনি যদি লিচুর মৌসুমে (মে-জুন মাসে) দিনাজপুরে যান, তবে একই সাথে লিচু বাগান দেখা এবং দিনাজপুরের ঐতিহাসিক স্থানগুলো ভ্রমণ করার এক দারুণ সুযোগ পাবেন।

     দিনাজপুর ভ্রমণের দারুণ সুযোগ পাবেন

  • কান্তজীউ মন্দির (কান্তনগর মন্দির): দিনাজপুরের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো এই টেরাকোটা বা পোড়ামাটির ফলক সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক মন্দিরটি। ১৭৫২ সালে নির্মিত এই মন্দিরের দেয়ালে রামায়ণ, মহাভারত এবং সমসাময়িককালের নানা কাহিনী ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, যা স্থাপত্যশৈলীর এক অনন্য নিদর্শন।

  • দিনাজপুর রাজবাড়ী: শহরের উত্তর-পূর্বে অবস্থিত এই প্রাচীন রাজবাড়ীটি ইতিহাসের সাক্ষী। এর প্রবেশদ্বার, কুমারী মহল এবং সুদৃশ্য সিংহদ্বার পর্যটকদের মুগ্ধ করে।

  • রামসাগর দিঘি: এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় মানবসৃষ্ট দিঘি। বিশাল এই দিঘির চারপাশের সবুজ পরিবেশ, বনায়ন এবং অতিথি পাখিদের আনাগোনা পিকনিক বা সময় কাটানোর জন্য দারুণ জায়গা। এখানে একটি মিনি চিড়িয়াখানাও রয়েছে।

  • সুখসাগর ও মাতাসাগর দিঘি: রামসাগরের মতোই আরও দুটি বিশাল ও ঐতিহাসিক দিঘি, যা প্রাচীন রাজাদের আমলের পরিচয় বহন করে।

  • নয়াবাদ মসজিদ: কান্তজীউ মন্দিরের কাছেই অবস্থিত এই প্রাচীন মসজিদটি ১৭৯৩ সালে নির্মিত হয়েছিল। কান্তজীউ মন্দির তৈরির পারস্য পারদর্শী কারিগররা নিজেদের নামাজের জন্য এটি তৈরি করেছিলেন।

  • shopnopuri (স্বপ্নপুরী): দিনাজপুর শহর থেকে প্রায় ৫২ কিমি দূরে আফতাবগঞ্জে অবস্থিত একটি বিশাল কৃত্রিম বিনোদন পার্ক। পরিবার নিয়ে ঘুরে বেড়ানোর জন্য এটি বেশ জনপ্রিয়।

  • গোর-এ-শহীদ ময়দানের লিচুর বাজার: এটি এশিয়ার অন্যতম বড় মাঠ, যেখানে লিচুর মৌসুমে বিশাল বাজার বসে। হাজার হাজার মানুষের আনাগোনা আর কোটি কোটি লিচুর এই বিশাল বাজার দেখার মতো এক দৃশ্য।

    Get In Touch

    Ready to embark on your journey towards sustainable success? Contact us today to schedule a consultation.

    হালাল উপার্জন

    ইসলাম ধর্মে হালাল উপার্জন বা সৎ পথে আয় করার গুরুত্ব অপরিসীম। এটি কেবল একটি অর্থনৈতিক বিষয় নয়, বরং ইবাদত কবুল হওয়া এবং আত্মিক শান্তির অন্যতম প্রধান শর্ত। পবিত্র কুরআন এবং হাদিসে হালাল উপার্জনের প্রতি অত্যন্ত জোর দেওয়া হয়েছে।



    শেয়ার বাগান এবং হালাল উপার্জনের মধ্যে অত্যন্ত গভীর ও চমৎকার একটি সম্পর্ক রয়েছে। ইসলামি শরিয়তের পরিভাষায় শেয়ার বা যৌথ উদ্যোগে বাগান করার এই পদ্ধতিটিকে 'মুসাকাত' (Musaqat) বা 'মুজারাআ' (Muzara'ah) বলা হয়। এটি সম্পূর্ণ হালাল, বরকতময় এবং সততার সাথে জীবিকা নির্বাহের একটি আদর্শ মাধ্যম।